বৃহস্পতিবার | ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২

সবুজ প্রকৃতির মাঝে বিচ্ছিন্ন সেবা কেন্দ্রে যেভাবে করোনামুক্ত হলাম : হিমেল চাকমা

একদিকে সাংবাদিকতা পেশা। অন্যদিকে মার্চের শুরু থেকে করোনা রোগী ছাড়াও মানুষদের করোনা সুরক্ষা সামগ্রী সরবরাহ করে যাচ্ছিলাম। তাই যেকোন সময় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হব মনে এ চিন্তা ছিল। হলে এটি মোকাবেলা করার মানসিকতাও ছিল।

আলাউদ্দিন স্যার এর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি : সফিকুল ইসলাম

বিত্ত-বৈভব কে না চায়। নগর জীবনে ছোট্ট একটি ফ্ল্যাট, স্বচ্ছন্দের জন্য একটি গাড়ি আর যাপীত জীবনকে রাঙ্গাতে ব্যাংকে জমানো বেশ কিছু টাকা- পরিপাটি গোছানো এমন জীবন সবাই চাই এবং যেভাবেই হোক না কেন, অনেকই তা পেয়েও যায়। কিন্তু একটি পেশার খাঁটি কিছু মানুষ আছেন, যারা এসব কিছুর উর্ধ্বে। আর তারা হলেন শিক্ষক, শিক্ষাগুরু বা জীবনের পথ প্রদর্শক।

করোনাযুদ্ধ: মানুষ আপনাদের জন্য শুভ কামনা করুক : প্রদীপ চৌধুরী

গোটা পৃথিবীই বলা চলে ঘোরতর বিপদে। মরণঘাতী করোনা ভাইরাসের অদৃশ্য হানায় অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও সমূহ সংকটে। এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় তৃতীয় বিশ্বের দেশ হিশেবে বাংলাদেশ জাতি-রাষ্ট্র যতোটা সক্ষমতা আছে, তার সবটা দিয়েই পরিস্থিতি মোকাবিলা করে চলেছে।

করোনা যুদ্ধে সংবাদ কর্মীদের নিরাপত্তা দিবে কে? : এম কামাল উদ্দিন

কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাসের কারনে গোটা পৃথিবী এখন নিথর হয়ে পড়েছে। সারা পৃথিবী এখন তথাকথিত লকডাউন ও সাটডাউনের মধ্যে আছে। মরণঘাতি করোনা ভাইরাস মহামারি আকার ধারন করছে আমাদের বাংলাদেশেও। ভাইরাসটি দিন দিন সারা পৃথিবীতে ভয়াল রুপ ধারণ করছে। বাংলাদেশসহ সারা পৃথিবীতে হু-হু করে বেড়ে যাচ্ছে আক্রান্তের সংখ্যা। প্রতিদিন মৃত্যুর মিছিলে নতুন করে যোগ দিচ্ছে অনেকেই।

রাঙামাটিকে বাঁচাতে চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করে এখনি উদ্যোগ নিতে হবে : মোহাম্মদ সোলায়মান

মহামারি করোনায় থরথর করে কাঁপছে পুরো বিশ্ব। ইতোমধ্যে বাংলাদেশে আঘাত হেনেছে করোনা। ক্রমেই বাড়ছে ভয়াবহতা। একের পর এক জেলা আক্রান্ত হচ্ছে। হচ্ছে নতুন নতুন জেলা ও এলাকা লকডাউন। চট্টগ্রামে আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এখন পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে করোনার থাবা পড়া যেন সময়ের ব্যাপার। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে চোখ বুলালেই দেখা যায় এ জেলার মানুষ কতখানি করোনা আতঙ্কে ভুগছে।

‘কর ফাঁকি’র পাহাড়ে নজর পড়ুক সরকারের -প্রদীপ চৌধুরী

আজকের দৈনিক সমকাল পত্রিকায় একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল ‘তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীর প্রথম শ্রেণীর দুর্নীতি’। সংবাদটি পড়ে সমতলের যেকোন পাঠক আহাম্মক বনে গেলেও পাহাড়ের পাঠকদের কাছে এটি একটি মামুলি খবর। কারণ, তিন পার্বত্য জেলায় তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীদের ক্ষেত্রে এমন দৃশ্য একেবারেই সাদামাটা। তবে অনেক সরকারী কর্মচারীর সন্তান-সন্ততি বা নিকটাত্মীয়ের সহযোগিতা পেয়েই বাড়ি-গাড়ির মালিক হবার নজির থাকতে পারে।

প্রসঙ্গ: পাহাড়ের উত্তপ্ত পরিবেশ : প্রদীপ চৌধুরী

বিশ্বের অন্যতম গ্রহণযোগ্য গণমাধ্যম ‘বিবিসি’ তাঁদের বাংলা মাধ্যমে সাম্প্রতিক সময়ে পার্বত্যাঞ্চলে সংঘটিত সন্ত্রাসী কার্যক্রম নিয়ে আজ (২৭ আগস্ট) একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। দিনের শেষ বেলায় নিশ্চয়ই এটি এরিমধ্যে লক্ষ কোটি মানুষের নজর ছুঁয়ে গেছে।
‘বিবিসি বাংলা’ পার্বত্য চট্টগ্রামের সাম্প্রতিক পরিবেশ নিয়ে তাঁদের বেশকটি প্রতিবেদনে বান্দরবান-রাঙামাটি ও মিয়ানমার সীমান্তে সন্ত্রাসী হামলায় একজন নবীন সৈনিকের মর্মান্তিক মৃত্যু’র পর পরই রাঙামাটির বাঘাইহাট ও খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় আরো চার বেসামরিক ব্যক্তির অপমৃত্যু’র ঘটনাকে গুরুত্বসহ বিশ্লেষণ করেছে।

প্রসঙ্গ: রুমিন ফারহানা এমপির প্লট আবেদন : প্রদীপ চৌধুরী

সারাদেশ যখন একজন জেলা প্রশাসকের স্ক্যান্ডাল নিয়ে ব্যস্ত ঠিক একই সময়ে একজন মাননীয় সংসদ সদস্যও দিনভর এই অনলাইন-সে অনলাইন-এ শিরোনাম হয়েছেন। অবশ্য, জামালপুরের জেলা প্রশাসকের কীর্তিকান্ড আর সংসদ সদস্যের কর্মকান্ড; একই পাল্লায় মাপার মতো নয়। তবুও ‘অফলাইন’ আর ‘অনলাইন’-এ দুই জনই সমান গুরুত্ব পেয়েছেন।

পাহাড়ের এনজিও কার্যক্রম বার বার প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে ? প্রদীপ চৌধুরী

পার্বত্য শান্তিচুক্তি’র আগে তিন পার্বত্য জেলায় এনজিও কার্যক্রম একেবারে সীমিত পর্যায়েই ছিল। রাবেতা, ওয়ার্ল্ড ভিশন, কারিতাস, সিসিডিবি ছাড়াও কিছু ধর্মীয় আদলের প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম চোখে পড়তো। বিশেষ করে ধর্ম প্রচারের দিকেই এসব সংগঠনের কৌশলী মনোযোগ ছিল বেশি। সে সময়কার পরিস্থিতিও ব্যাপকভাবে সব জায়গায় এনজিও কার্যক্রম চালানোর সহায়ক ছিল না।

পার্বত্য চট্টগ্রাম: মৃত্যুর মিছিল শেষ হবে একদিন ! -প্রদীপ চৌধুরী

গত রোববার মধ্য রাতে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলা সদরের বাবুপাড়ায় প্রতিপক্ষ সশস্ত্র দুর্বৃত্তদের গুলিতে দু’দুটো তরুণের প্রাণ অকালে ঝরে গেছে। প্রায় প্রতিনিয়তই পাহাড়ে অবৈধ অস্ত্রের ছোঁড়া বারুদের উত্তাপে মানুষের জীবন বিপন্ন হচ্ছে। চাঁদাবাজি আর সন্ত্রাসে অতিষ্ঠ জনজীবন। তারই ধারাবাহিকতায় মৃত্যু’র মিছিলে যোগ হলো আরও দুটি প্রাণ আরও দুটি নাম। শতসিদ্ধি চাকমা ও এনো চাকমা। এই তালিকা দিনকে দিন দীর্ঘ হতে চলেছে।

FIND US ON FACEBOOK
আর্কাইভ
সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত, ২০১৭-২০১৮।    Design & developed by: Ribeng IT Solutions