শুক্রবার | ১৬ নভেম্বর, ২০১৮

চাকমা ভাষা, বর্ণমালা ও বানানরীতির সঠিক পদ্ধতি নির্ধারণে কর্মশালা

প্রকাশঃ ১৯ অক্টোবর, ২০১৮ ০৩:৪৬:২৩ | আপডেটঃ ১৫ নভেম্বর, ২০১৮ ০৬:৩৫:৩৯
সিএইচটি টুডে ডট কম, রাঙামাটি। বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন দেশে বসবাস করা চাকমা জাতিগোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষায় শিক্ষালাভ এবং ভাব বিনিময়ে ভাষা, বর্ণমালা ও বানানরীতি নিয়ে সহজ ও সঠিক পদ্ধতি নির্ধারণের লক্ষ্যে বিশেষ উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। রাঙামাটির চাকমা সার্কেল চিফ রাজা ব্যারিষ্টার দেবাশীষ রায়ের পৃষ্ঠপোষকতায় স্থানীয় ভাষাবিদ, শিক্ষাবিদ, বিশেষজ্ঞ, গবেষক, সাহিত্যিক ও সংস্কৃতিকর্মী এ উদ্যোগে এগিয়ে এসে বিষয়টির ওপর গুরুত্বপূর্ণ মতামত দিচ্ছেন।

এ লক্ষে বৃহস্পতিবার বিকালে রাঙামাটির চাকমারাজ কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে প্রথম কর্মশালাটির আয়োজন করা হয়।
চাকমারাজ কার্যালয় এবং সংস্কৃতি সংগঠন চাকমা কালচার কাউন্সিল বাংলাদেশ’এর যৌথউদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মশালা বিকাল ২টায় শুরু হয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে। রাজা ব্যারিষ্টার দেবাশীষ রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায়, চাকমা কালচার কাউন্সিল বাংলাদেশ’এর উপদেষ্টা সুশীল প্রসাদ চাকমা, সংগঠনটির সভাপতি লিটন চাকমা, সাধারণ সম্পাদক পরেশ খীসা, শিক্ষাবিদ কলেজ প্রভাষক বিপম চাকমা, কাচালং বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ভদ্রসেন চাকমা, সাহিত্যিক প্রগতি খীসা, চাকমারাজ কার্যালয়ের কর্মকর্তা সুব্রত চাকমা, চাকমা ভাষার শিক্ষক বিনয় বিকাশ তালুকদারসহ অন্যরা আলোচনায় অংশ নেন।

এসময় চাকমা রাজা ব্যারিষ্টার দেবাশীষ রায় বলেন, চাকমা ব্যক্তি অনেকে নিজস্ব ভাষায় কথা বলার সময় ভিন্ন ভাষার বা বিদেশী শব্দ ব্যবহার ও উচ্চারণ করে থাকেন। বিশেষ করে বাংলা ও ইংরেজী শব্দ অধিক ব্যবহার করা হয়ে থাকে। বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় ও সংখ্যাগুরুর ভাষা বাংলা আধিপত্যের কারণে বেশিরভাগ চাকমাভাষীকে নিজস্ব ভাষার অক্ষর জ্ঞান দেয়া বা নিজস্ব বর্ণ লিপিতে শিক্ষত করে তোলা বর্তমান প্রেক্ষাপটে বা অদূর ভবিষ্যতে দুরূহ ব্যাপার। সুদূর ভবিষ্যতে হয়ত তা করা যেতে পারে। বর্তমান অবস্থায় যথাসাধ্য প্রচেষ্টা ও প্রয়াস সত্ত্বেও চাকমাভাষী অনেকে নিজস্ব বর্ণলিপিতে নিরক্ষর থেকে যেতে পারে।

 তাই রোমান, বাংলা ও চাকমা বর্ণমালাকে কেবল উচ্চারণের সুবিধার্থে বিশেষ চিহ্ন সংযুক্ত করে ব্যবহারের ওপর উচ্চারণ অব্যাহত রাখতে সর্বাধিক বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিতে হবে। পাশাপাশি চাকমা ভাষা, বর্ণমালা ও বানানরীতির ক্ষেত্রে সঠিক পদ্ধতি নির্ধারণ করে তা প্রচলন করতে হবে।

এইমাত্র পাওয়া
আর্কাইভ
সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত, ২০১৭-২০১৮।    Design & developed by: Ribeng IT Solutions