সোলারের আলো যেন শিক্ষার আলোয় ব্যবহৃত হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে : জুরাছড়ি জোন কমান্ডার

প্রকাশঃ ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১০:৩৪:৪৬ | আপডেটঃ ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০৮:১০:০২
সিএইচটি টুডে ডট কম, জুরাছড়ি (রাঙামাটি)।  জুরাছড়ি জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল মাহমুদুল হাসান পিএসসি বলেছেন,  সোলারের  আলো যেন ঘরের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেয়, এই আলো পাহাড়ে সুপথে পরবর্তী প্রজম্মকে ভাল পথে চলার জন্য উৎসাহিত জোগায়। এই আলো যেন আইন শৃংখলা ভঙ্গের কাজে ব্যবহার না হয়। এই আলো যেন সমাজের উন্নয়ন কাজে ব্যবহৃত হয় সেদিকে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে।

আজ জুরাছড়ি উপজেলার বনযোগীছড়া ইউনিয়নের গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার ও রক্ষাণাবেক্ষন (টিআর/কাবিটা) কর্মসূচীর আওয়াতায় ৫১ পরিবারের মাঝে সোলার হোম সিস্টেম বিতরণী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি  একথা বলেন।

বনযোগীছড়া ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সে প্রাঙ্গনে সোলার হোম সিস্টেম বিতরণী সভায় বনযোগীছড়া ইউপি চেয়ারম্যান সন্তোষ বিকাশ চাকমার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সুরেশ কুমার চাকমা, ভাইস চেয়ারম্যান রিটন চাকমা, জোন উপ অধিনায়ক মেজর এবিএম শাহ রেজা, হেডম্যান করুনা ময় চাকমাসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তি ও সুফল ভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় জোন অধিনায়ক আরো বলেন, দুর্গম এলাকায় সৌর বিদুৎ প্রদান প্রকল্পের অংশ হিসেবে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পরিচালিত হয়ে আসছে। স্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করার জন্য এসব উন্নয়নের ধারা বাহিকতা অব্যাহত রাখা সম্ভব হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, এলাকায় উৎপাদিত পন্য বিক্রি করতে যারা বাঁধা দিচ্ছে কিংবা এ সব পন্যের উপর থেকে যারা  চাঁদা আদায়ের অপচেষ্টা চালায় তারা কারোর বন্ধু হতে পারে না এবং তারা এলাকায় উন্নয়ন চায় না।

স্থানীয় হেডম্যান করুনাময় চাকমার বরকল উপজেলার সুবলং এলাকায় একটি চক্রের  মালামাল পরিবহনে বোটে বাঁধা ও বিভিন্ন হয়রানীর উত্তোরনের অর্জির ভিত্তিতে জোন অধিনায়ক বলেন, রাঙামাটি জোনের সমন্বয়ের মাধ্যমে এলাকার উৎপাদিত কাচামাল কৃষকরা সব রকম নিরাপত্তা নিয়ে গন্তব্যে বিক্রি করতে নিয়ে যেতে পারবে। তাদের নিরাপত্তা আইন শৃংখলা বাহিনী নিশ্চিত করবে।

এ সময় উপজেলা চেয়ারম্যান সুরেশ কুমার চাকমা বলেন, বর্তমান সরকার বিদুৎ বিনীন এলাকায় প্রতিটি ঘরে ঘরে সৌর আলো নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি সেনাবাহিনীর প্রশংসা করে বলেন, সেনাবাহিনী তথা জোন কমান্ডারের বিচক্ষনতার কারণে রাঙামাটির দশ উপজেলার মধ্যে সব চেয়ে শান্তি পূর্ন পরিবেশ বিরাজ করছে জুরাছড়িতে। সে লক্ষ্যে এই শান্তি পূর্ন পরিবেশ ধরে রাখার জন্য আগামীতে সকলকে আইন শৃংখলা বাহিনীকে সহযোগীতার অনুরোধ জানান।

এ সময় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, আইডিএফের ব্যবস্থাপক ললিত চাকমা, ওয়ার্ড সদস্য সুমন চাকমা প্রমূখ।