ফুটবলের ৩ কন্যাকে গণসংবর্ধনা দিলো খাগড়াছড়িবাসী

প্রকাশঃ ০৪ জুনe, ২০১৯ ০৫:৫৩:১৮ | আপডেটঃ ১৬ জুলাই, ২০১৯ ০৭:৫৪:০৬
সিএইচটি টুডে ডট কম, খাগড়াছড়ি। পার্বত্য খাগড়াছড়ির কৃতি সন্তান ফিফা‘র র‌্যাংকিং এ সেরা গোলদাতাদের মধ্যে ৫ম স্থান অধিকারী মনিকা চাকমা এবং জমজ দুই কৃতি ফুটবলার আনাই ও আনুচিং মগিনীকে গণসংবর্ধনা দেয়া হয়েছে।

আজ সকালে (১২টায়) খাগড়াছড়ি অফিসার্স ক্লাবে সংবর্ধনার আয়োজন করে পার্বত্য জেলা পরিষদ ও জেলা ক্রীড়া সংস্থা। এর আগে তাদেরকে সুসজ্জিত গাড়িতে করে শহর প্রদক্ষিন করানো হয়। এবং ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে তাদেরকে পার্বত্য জেলা পরিষদ, জেলা ক্রীড়া সংস্থা ছাড়াও জেলা পুলিশ, পৌরসভা ও দৈনিক অরণ্যবার্তার পক্ষ থেকেও সন্মাননা ক্রেষ্ট দেয়া হয়।

পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরীর সভাপতিত্বে গণসংবর্ধনায় প্রধান অতিথি ছিলেন পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের সচিব কবির বিন আনোয়ার। আরো বক্তব্য রাখেন কৃতি ফুটবলার মনিকা চাকমা, সেনাবাহিনীর খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হামিদুল হক, পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব রোকন উদ দৌলা ,জেলা প্রশাসক মো: শহিদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মো: আহমার উজ্জামানান, খাগড়াছড়ি পৌরসভার মেয়র মো. রফিকুল আলম ও খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শানে আলম প্রমুখ।
খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ ও খাগড়াছড়ি জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে বর্নিল এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য জুয়েল চাকমা।

পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের সচিব কবির বিন আনোয়ার বলেছেন,  প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কণ্যা শেখ হাসিনার হাত ধরে নারীরা এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি খাগড়াছড়ির বিভিন্ন অর্জনের কথা উল্লেখ করে বলেন, পাহাড়ের এ তিন কণ্যা খাগড়াছড়িকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। এই তিন কণ্যা প্রাচুর্য্যময় বাংলাদেশের সম্পদ। খাগড়াছড়িতে নিয়মিত ক্যাম্প করলে তিন কণ্যার মতো আরো অনেক মেয়ে ফুটবলে যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখবে।
সংবর্ধনায় পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী কৃতি ফুটবলাদের বাড়ি নির্মান করে দেয়াসহ এককালীন বৃত্তি প্রদানের আশ্বাস দেন।

উল্লেখ্য, চলতি বছর ঢাকায় অনুষ্ঠিত বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা আন্তর্জাতিক ফুটবল টুর্নামেন্টে মঙ্গোলিয়ার সাথে খেলায় মনিকা চাকমার দেয়া গোলটি ফিফা‘র বছরের সেরা গোলগুলোর মধ্যে পঞ্চম হয়। ফিফা তাকে ‘ম্যাজিকেল চাকমা’ নামে উপাধি দেয়। এছাড়া জমজ বোন আনাই ও আনুচিং বয়সভিত্তিক আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফুটবল টুর্নামেন্টে নিয়মিত ভালো করছে। তিনজনই বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা আন্ত: স্কুল ফুটবল থেকে উঠে আসা।